Alexa

শিল্পের নন্দনতত্ত্ব বোধে বেঁচেছিলেন ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী

ফিচার রিপোর্টার | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

প্রয়াত ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর স্বরণানুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: বাংলানিউজ

ঢাকা: 'ঘরে-বাইরে সত্য ও সুন্দরের উপাসনাই ছিল ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর আরাধ্য। তিনি প্রকৃতির মধ্যে, মানুষের অবহেলার মধ্যে মানুষের সৌন্দর্য খুঁজে বেরিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর শিল্পের নন্দনতত্ত্ব বোধ নিয়েই বেঁচেছিলেন তিনি।

ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীকে নিয়ে এমনটাই বললেন এমিরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। মঙ্গলবার (১৩ মার্চ) সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী স্মরণে এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত হয় এই স্মরণানুষ্ঠান। এতে আরো বক্তব্য রাখেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব কামাল লোহানী, শিল্পী হাশেম খান, একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবির, নাট্যজন নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু, ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর চিকিৎসক ডা. আমজাদ হোসেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি মাকসুদ কামাল, জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদ ও সাধারণ সম্পাদক তারিক সুজাত, চারুশিল্পী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শিল্পী মনিরুজ্জামান, প্রিয়ভাষিণীর মেয়ে ফুলেশ্বরী প্রিয়নন্দিনী প্রমুখ।

শাহরিয়ার কবির বলেন, তার আত্মপ্রকাশের সাহস ছিল অনন্য। অনেক নারীই একাত্তরের বর্বর নির্যাতনের পর মুখ খোলেননি, অথচ তিনি তা বলেছেন। এখন যারা আসছে, তারাও তার সূত্র ধরেই আসছেন।

শিল্পী মনিরুজ্জামান বলেন, একাত্তর থেকে এ শিল্পী তার সমস্ত আবেগ আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরেছেন তার শিল্পকর্মের মধ্য দিয়ে।

জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, প্রিয়ভাষিণীর বড় গুণ ছিল তার নন্দনতত্ত্ব বোধ। তিনি প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে সৌন্দর্য দেখতে পেতেন। তিনি আমাদের প্রেরণা হয়ে থাকবেন চিরদিন।

এর আগে সোমবার নেপালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট বিএস২১১ বিধ্বস্ত হয়ে নিহতদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

এরপর শারমিন সাথী ইসলাম পরিবেশন করেন ‘নির্মল কর মঙ্গল কর’ শোকসঙ্গীত।

বাংলাদেশ সময়: ০১০৩ ঘণ্টা, মার্চ ১৩, ২০১৮
এইচএমএস/এমএ

জয় বাংলা পরিবারের ঈদ পূনর্মিলনী
রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর প্রয়াণ
দাম্পত্য কলহে বৃষ, বন্ধুর সঙ্গে মতবিরোধ মীনের
ফের আলোচনায় মানিক সরকার
৭০ শটে ৩, ১০ শটেই ৪!