Alexa

রমজানে দান-সদকার ফজিলত একে সত্তর

নাসির উদ্দিন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ মাজার মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা হুযায়ফা হুসাইন চৌধুরী। ছবি: আবু বকর

সিলেট: একটি পয়সা দান বা সদকা করলে তার সত্তর গুণ সওয়াব মেলে। এভাবে একটা জামা দান-সদকা করলে সেটার সওয়াব পাওয়া যাবে সত্তরটি জামা দান-সদকার সমান। এমন ফজিলত কেবল পবিত্র রমজানেই মেলে। অন্য সময়ে যেখানে দান করলে একে এক, সেখানে এই মাসে এমন সওয়াব মেলে বলে রমজানকে রহমত-বরকত-নাজাতের মাস হিসেবে দেখা হয়।

পবিত্র রমজানে দান-সদকার ফজিলত সম্পর্কে বাংলানিউজকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনটাই বলছিলেন সিলেটের হযরত শাহজালাল (র.) দরগাহ মাজার মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা হুযায়ফা হুসাইন চৌধুরী।

তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জীবন দান করেছেন। এই জীবনের মধ্যে মানুষ আল্লাহ পাকের নৈকট্য কিভাবে অর্জন করতে পারে? এজন্য আল্লাহ তায়ালা বিভিন্ন সময়, দিবস ও সুযোগ দিয়ে থাকেন। সেসব দিবস ও সুযোগ আল্লাহর নৈকট্য পাওয়ার জন্যই। এসব দিবসের মধ্যে সবচেয়ে উত্তম রামাদানের মাস। আল্লাহ পাক এজন্য এই মাসকে নাম দিয়েছেন ‘শাহরুল্লাহ’ তথা আল্লাহ পাকের মাস। 

হাফেজ মাওলানা হুযায়ফা হুসাইন চৌধুরী বলেন, রমজানে মানুষ যে আমল করে। আল্লাহ পাক এর অধিক প্রতিদান দিয়ে থাকেন। যেমন, এক হাদিসে আছে, হযরত সালমান ফার্সি (রা.) থেকে বর্ণিত; ‘রাসুল (সা.) শাবান মাসের শেষ তারিখে আমাদের উদ্দেশ্যে উপদেশমূলক বক্তব্যে বলেছেন- হে লোক সকল তোমাদের মধ্যে এমন একটি মাস আসছে, যে মাসে এমন একটি রজনী আছে, যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। আল্লাহ পাক এই মাসে রোজা ফরজ করে দিয়েছেন। যে ব্যক্তি এই মাসে একটি নেক কাজ করলো, সে যেন রমজান ছাড়া অন্য মাসের একটি ফরজ আদায় করলো। আর যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরজ আদায় করলো। সে অন্য মাসে ৭০টি ফরজ আদায় করলো।’ সে হিসেবে নামাজ-রোজা যেমন একটি আমল। ঠিক সেভাবে দান ও সদকা করা একটি আমল। রমজানে এ কাজ করলে আল্লাহ তায়ালা সত্তর গুণ সওয়াব বাড়িয়ে দেন। 

হাদিসেও বলা হয়েছে, যদি আমরা দান করি, আল্লাহ আমাদের দানের সওয়াব সত্তর গুণ বাড়িয়ে দেবেন। 

বাংলাদেশ সময়: ২১০৭ ঘণ্টা, মে ২০, ২০১৮
এনইউ/এইচএ/

নেইমার আমাকে অপমান করেছিলো: থিয়াগো সিলভা
এটি একটি পার্ক!
ওভার ব্রিজ দিয়ে মিনিটে চলাচল করে সাড়ে ৫জন
হাঁটার আগে জেনে নিন
অমিত সাহ'র কুশ পুতুল দাহ করলো যুব কংগ্রেস