Alexa

শমসেরনগরে জনতার প্রতিরোধ, কালিপুরে ক্যাম্প

মাজেদুল নয়ন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি ও ভিডিও: দিপু মালাকার

বিমানবন্দরের জন্যেই শমসেরনগর মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২৬ মার্চের কিছুদিন আগেই পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন গোলাম রসুলকে এই এলাকায় পাঠানো হয়।

মৌলভীবাজার: বিমানবন্দরের জন্যেই শমসেরনগর মুক্তিযুদ্ধের সময় ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ২৬ মার্চের কিছুদিন আগেই পাকিস্তানি ক্যাপ্টেন গোলাম রসুলকে এই এলাকায় পাঠানো হয়। যুদ্ধের আগে থেকেই মানুষকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতন করতে থাকে রসুল।

২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকবাহিনীর হামলার খবর সারা দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা থেকেও মানুষ প্রাণভয়ে ছুটতে থাকে সীমান্তবর্তী শহরগুলোতে। ২৬ মার্চ সকালে পাকিস্তানিদের হামলার প্রতিবাদে কয়েক হাজার মানুষ এসে জড়ো হয় শমসেরনগর বাজারে। এরই মধ্যে গণেশের দোকানে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ানোর খবর পৌঁছে যায় মৌলভীবাজারের ক্যাম্পেও।

পরের দিন গোলাম রসুল তার প্লাটুন নিয়ে শমসেরনগরে পরিদর্শনে আসেন। এই সময় শমসেরনগর এয়ারপোর্টে ছিলো ২ জন বাঙালি ইপিআর সদস্য। তারা ওয়ারলেসে এ খবর পান। স্থানীয় জনতা এর আগেই পাক বাহিনীকে হটানোর জন্যে লাঠিসোঠা, বাঁশ নিয়ে হাজির।

কুলাউড়া থেকে শমসেরনগরে প্রবেশের রাস্তার ওপর দিয়ে চলে গেছে রেললাইন। আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মান্নান ও বাঙালি ইপিআর সদস্যরা এলাকাবাসীকে নিয়ে রেলওয়ে স্টেশনে দাঁড়ানো ওয়াগনগুলো সরিয়ে ব্যারিকেড তৈরি করেন। পথ বন্ধ করে আশপাশের দালানে অবস্থান নেন ইপিআর সদস্যরা।

বিকেলে তিনটি সামরিক যান নিয়ে পৌঁছায় গোলাম রসুলের প্লাটুন। গাড়ি থেকে নেমে ওয়াগনগুলো সরানোর চেষ্টা করে তারা। এরই মধ্যে ইপিআর সদস্য আমীর হোসেন ও আবুল কালামের অস্ত্র গর্জে ওঠে। মাটিতে লুটিয়ে পড়ে এক পাক সেনা, আরেকজন পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়। তারা পাল্টা প্রতিরোধ করে। মাত্র ২ জন ইপিআর সদস্যের অস্ত্র দিয়ে পাকিস্তানিদের সঙ্গে বেশিক্ষণ টেকা সম্ভব হয়নি। এরই মধ্যে ওয়াগনগুলো সরিয়ে ফেলে হানাদারেরা।
চাতলাপুর চা বাগান দিয়ে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করতো মুক্তিবাহিনী।
লাশ গাড়িতে তুলে একটি গাড়ি ফিরে যায় মৌলভীবাজার। দুটি গাড়িতে শমসেরনগর বাজারের ভেতর দিয়েই ভানুগাছ চলে যায় পাকিস্তানিরা। যাওয়ার সময় ক্যাপ্টেন রসুলের প্লাটুন জনতার মিছিলে গুলি চালায়। শহীদ হন অশীতিপর সিরাজুল ইসলাম। বিক্ষোভে ফেটে পড়ে জনতা।

তবে এটা বোঝা যাচ্ছিল, ক্যাপ্টেন রসুল আবার তার প্লাটুন নিয়ে ফিরে এসে বড় ধরনের প্রতিশোধ নেবে। যা হবে আরো বিধ্বংসী আর নৃশংস।

আওয়ামীলীগ নেতা জহুর আলী চৌধুরী, শমসেরনগর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোজাহিদ, ক্যাপ্টেন মোজাফফর আহমদ, আবদুল গফুর, সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাজ্জাদুর রহমান, ময়না মিয়া, কাজল চৌধুরী, অরুণ পাল ও আমজাদ আলীসহ এলাকার কয়েকজন মিলে বৈঠক করেন। কিভাবে প্রতিরোধ করা যায় সে বিষয়ে মতবিনিময় করেন তারা।

বাঙালি ই.পি.আর. সদস্যরা বলেন, নিরস্ত্র মানুষকে দিয়ে প্রতিরোধ করা যাবে না। তিন থেকে চারজন সাহসী যুবককে সঙ্গে চাইলেন তারা। তখন যুবক আইয়ুব আলী, আব্দুল মোমেন ও বশিরকে বাছাই করা হয়।

শমসেরনগরের সীমান্তঘেঁষা শরীফপুর ইউনিয়নের চাতলাপুর ইপিআর ক্যাম্প। অন্যান্য সীমান্ত এলাকায় ইপিআর ক্যাম্পগুলোর মতো চাতলাপুর চা বাগানের ইপিআর ফাঁড়ি বাঙালির পক্ষ নেয়নি তখনো। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ওই ক্যাম্পের ইপিআর সদস্যদের নিয়ে আসার।

স্থানীয় ব্যবসায়ী সাত্তারের ভাঙ্গা জীপটি পাঠানো হয় ৬ কিলোমিটার দূরের চাতলাপুর ক্যাম্পে। সেখানে ছিলেন দুইজন অবাঙ্গালি ইপিআর সদস্য। শমসেরনগর থেকে ইপিআর সদস্য ও কয়েকজন গিয়ে তাদের নিরস্ত্র করে হত্যা করেন। ক্যাম্পের বাঙালি সুবেদার শামসুল হক চৌধুরী ৯ জন বাঙালি সদস্যকে নিয়ে শমসেরনগরে যোগ দেন জনতার সঙ্গে। শমসেরনগরে তখন তিনজন পুলিশ সদস্য ফাঁড়িতে ছিলেন। তারাও অংশ নেন জনতার সঙ্গে।

২৮ মার্চ সকাল থেকেই বিক্ষোভে ফেটে পড়ে শমসেরনগর। শত্রুদের প্রতিরোধের জন্যে প্রস্তুতি নিতে থাকে শমসেরনগর। সবার আগে ইপিআর সদস্যরা খবর পান, ক্যাপ্টেন রসুল আবারো তার প্লাটুন নিয়ে রওনা হয়েছেন শমসেরনগরের পথে। মৌলভীবাজার থেকে কমলগঞ্জ হয়ে এদিকে আসছে তারা।
চাতলাপুর চা বাগানের ইপিআর ক্যাম্প থেকে বাঙ্গালি ইপিআর সদস্যরা যোগ দেয়।
প্রতিরোধ দলে তখন ১১ জন ইপিআর সদস্য, ৩ জন পুলিশের হাবিলদার এবং ৩ জন স্থানীয় যুবক। চারটি ভাগে ভাগ হয়ে যায় প্রতিরোধ দল। একটি ভাগ যায় পোস্ট অফিসের ওপর। আরেকটি গ্রুপ শমসেরনগরে তৎকালীন হাবিব ব্যাংকের ওপর প্রস্তুত হয়ে যায়। শমসেরনগর বাজারের দক্ষিণে কালিবাজারের দিকের ও পশ্চিমে লালাবাজারের দিকে পথের পাশে আড়ালে অবস্থান নেয় দুটি অ্যামবুশ টিম। অপেক্ষা করতে থাকে রসুল ও তার প্লাটুন আসার।

বিকেল তখন ৪টা থেকে সাড়ে ৪টা হবে। দ্রুত গতিতে দুটি সামরিক যান নিয়ে শমসেরনগর বাজারের দিকে প্রবেশ করছিল রসুল। সীমানায় আসতেই কালিবাজার ও হাবিব ব্যাংকের ওপর থেকে গুলি শুরু হয়। দুটি গাড়ির টায়ার লক্ষ্য করে গুলি চলতে থাকে। উল্টে পড়ে গাড়িগুলো। ঘটনাস্থলেই নিহত হয় ১১ পাক সেনা। যে তিনজন পালিয়ে যায়, পরে তাদেরও গ্রামের বিভিন্ন বাড়িতে খুঁজে বের করে হত্যা করে এলাকাবাসী।

তবে এপ্রিলের শেষ দিকে কুলাউড়া ও শমসেরনগর দখল করে নেয় পাকবাহিনী। প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়ে মুক্তিযোদ্ধারা চলে যান ভারতে। ৪ নং সেক্টরের অধীনে এই অঞ্চলের বেশিরভাগ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন সাবসেক্টর কৈলাশহরের অধীন। যাদের প্রশিক্ষণ হয় ভারতের দেরাদুনে। এই সাবসেক্টরের কমান্ডার ছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন হামিদ।
কুলাউড়ায় শহীদদের স্মরণে নির্মিত স্মৃতি সৌধ।
এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে কুলাউড়া থেকে ভারতের আসামে সরে যায় মুক্তিবাহিনী। কুলাউড়ায় পাকবাহিনী ক্যাম্প করে থানা হাসপাতালে। সেখানেই নারীদের ওপর নির্যাতন চালাতো তারা। আর টর্চার সেল ছিল নবীনচন্দ্র স্কুলে। এখানে মুক্তিযোদ্ধাদের ধরে নিয়ে নির্যাতন করা হতো।

৪ নং সাবসেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেন মেজর সিআর দত্ত। মে মাসের দিকে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় ট্রেনিং ক্যাম্প খোলা হয়। সেখানে ইপিআর, আনসার, মুজাহিদ ও পুলিশকে নিয়ে ‘সেক্টর ট্রুপস’ আর ছাত্র জনতাকে নিয়ে গড়ে ওঠে ‘গণবাহিনী’। এখানে লোহারবন্দে ছিল বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ ক্যাম্প।

শরীফপুরের পর মনু নদীর ওপারে ভারতের কালিপুর। এখানে ভারতীয় ক্যাপ্টেন হামিদের নেতৃত্বে ছিল মুক্তিবাহিনীদের একটি ক্যাম্প।
শমসেরনগর বিমানবন্দরে সম্মুখ সমরের স্মৃতি স্তম্ভ।
এপ্রিলের শেষভাগে সীমান্ত ঘেষা দত্তগ্রামে অপারেশন করে পাকবাহিনী। মনু নদীর পাড় ধরে টহল দিতে থাকেন তারা। মুক্তিযোদ্ধা মায়া মিয়া, তেরা মিয়াদের বাড়িতে এদিন হামলা করে। দত্তগ্রামে চালায় তান্ডব।

পরের দিন টিলাবাজার ক্যাম্প থেকে সৈয়দ মখলিসুর রহমানের নেতৃত্বে ১৭ জনের দল আসে দত্তগ্রামে। সঙ্গে ২ ইঞ্চি মর্টার, এলএমজি, এসএলআর, স্টেনগান। ক্যাপ্টেন হামিদের সঙ্গে আলোচনা করে অপারেশনে যান তারা।

বিকালে দলটি আসে ভারতের কালিপুর গ্রামে। সেখান থেকে গুলি করে দত্তগ্রামে। কিন্তু পাল্টা কোন গুলি নেই হানাদারদের দিক থেকে। পাকবাহিনী চলে গিয়েছে ভেবে নদী পার হয়ে দত্তগ্রামে প্রবেশ করে মুক্তিবাহিনী। গুপটি মেরে থাকা পাকবাহিনী ২ দিক থেকে ঘিরে ফেলে মুক্তিযোদ্ধাদের। প্রতিরোধ করতে গোলাগুলি শুরু হয়ে যায়। একজন মুক্তিযোদ্ধা সেখান থেকে পালিয়ে নদী পার হয়ে কালিপুরে খবর জানালে ভারতীয় বাহিনী এসে রক্ষা করে নিয়ে যায় ১৬ জনের দলকে।
পাক বাহিনীর চলাচল রুখতে বিস্ফোরক দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয় মনু নদীর ওপরের ব্রীজটি।
এই সীমান্তে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনে দিশেহারা পাকবাহিনী ভারতের অভ্যন্তরে কালিপুর ক্যাম্পে হামলা পরিকল্পনা করে। আলীনগর পাকবাহিনীর ১ কোম্পানি সৈণ্য নিশ্চিন্তপুরে হয়ে মনু নদীর ঘাটে পৌছায়। ২৭ জুলাই ভোর রাতে নদী পার হতে নৌকায় ওঠে। নদীর বাঁধের পেছন থেকে বেরিয়ে আসে মুক্তিযোদ্ধারা। তুমুল আক্রমনে নদীতে ডুবে যায় নৌকা।

জুলাই মাসে মনু রেললাইনে একটি অপারেশন ব্যর্থ হলে আবারো আবারো আগষ্টে আক্রমণের পরিকল্পনা করে মুক্তিযোদ্ধারা। হাবিলদার মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে ৮ জনের দল মনু নদী অতিক্রম করে। সেখান থেকে পল্কী নদীর ৪ মাইল উত্তরে দেড় ফার্লংয়ের মধ্যে মনু স্টেশণ। গেরিলাদের হামলার পরিকল্পনা ফাঁস করে দেয় রাজাকার। আগেই হামলা করে তারা। শহীদ হন আবদুস শুকুর। ৬ জন মুক্তিযোদ্ধা পূর্বের পথে কালিপুর ফিরলেও কুমিল্লার মুসলেউর রহমানের কাছে এই এলাকা অপরিচিত। ভুল পথে রণচাপ গ্রামে চলে যান তিনি। দুর্ভাগ্যক্রমে তমু মিয়া রাজাকারের কাছে জানতে চান ভারতে যাওয়ার পথ। ভুল পথে মুসলেউরকে নিয়ে যেয়ে হত্যা করে এই রাজাকার ও তার সঙ্গীরা।
ভারতের কালিপুর থেকে মনু নদী পার হয়ে গেরিলারা বাংলাদেশে প্রবেশ করতো।
জুনের প্রথম সপ্তাহে লাঠিটিলা চা বাগানে ক্যাপ্টেন রবের নেতৃত্বে অপারেশন চালায় মুক্তিবাহিনী। এই আক্রমণে ভারতীয় গোলান্দাজ এবং মেশিনগানের সাহায্য ছিল পুরোদমে। ভোর রাতে ভারতীয় গোলান্দাজ বাহিনী প্রথমে আক্রমন চালায়। এর সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিবাহিনীও অগ্রসর হতে থাকে। পরের দিন প্রায় ১২ টা পর্যন্ত এই অপারেশন চলে। গোলাবারুদ এবং অস্ত্রসহ দুই পাকিস্তানি সৈনিককে আহত অবস্থায় ধরে নিয়ে আসা হয়। পরের দিন আরেকজন পাঞ্জাবী ল্যান্স নায়েককে পাতনি চা বাগানে পাওয়া যায়।

নবীগঞ্জে ১৬০ জন মুক্তিযোদ্ধা অক্টোবরের শেষ দিকে প্রবেশ করে। এদের মধ্যে অনেকেই আবার পালিয়ে যায় বা ধরা দেয় রাজাকারদের কাছে। শেষ পর্যন্ত ছিল ১০৬ জন। এরাই বিভিন্ন গেরিলা অপারেশন করে পাকবাহিনীকে হতোদ্যম করে তোলে।

নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কয়েক রাজাকার গাইডের অভিনয় করে মুক্তিযোদ্ধাদের ভুল পথে পরিচালিত করে। মসজিদে পাকিস্তানি বাহিনী আছে বলে হামলা করায়। মুক্তিবাহিনী প্রথমে বুঝতে পারেনি ঘাঁটিটি মসজিদ ছিল। বুঝতে পেরে দ্রুত ঘটণাস্থল ত্যাগ করে মুক্তিযোদ্ধারা। পরবর্তীতে গ্রামবাসীকে বোঝানো হয়, মুক্তিবাহিনী ভারতের সহযোগীতায় মসজিদ ধ্বংস করতে এসেছিল।
সদর হাসপাতালকেই ক্যাম্প হিসেবে ব্যবহার করে পাকবাহিনী।
৫ ও ৬ ডিসেম্বর দুদিনই কুলাউড়ায় প্রবল যুদ্ধ হয়।  কোটারকোনা গ্রামের পূর্বে শালন গ্রাম। দুই গ্রামের মাঝখানে প্রায় ৫০ মিটার দীর্ঘ সেতু। মনু নদীর ওপর এই সেতুটি দিয়ে কুলাউড়া থেকে কোটারকুনা, শমসেরনগর ও মৌলভীবাজারে চলাচল করতো পাকবাহিনী। ৫ ডিসেম্বর তারিখে মুক্তিযোদ্ধারা এই ব্রিজটি উড়িয়ে দেন। যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায় কুলাউড়া ও মৌলভীবাজারের।  

কৈলাশহর সাবসেক্টর ৫৯ ভারতীয় ব্রিগেডের সঙ্গে সিলেটে প্রবেশ করে। কমলপুর সাব-সেক্টর ৮১ ভারতীয় ব্রিগেডের সঙ্গে মিলিত হয়ে মৌলভীবাজারে প্রবেশ করে। বিভিন্ন দিক থেকে বিএলএফ, এমএফ, এফএফ, মিত্রবাহিনী সকলে মিলে আক্রমণ করে। দুই দিন দুইপক্ষেরই হতাহত অনেক। শমসেরনগরেই প্রায় ১০ থেকে ১২ জন ভারতীয় সৈন্য নিহত হন। কুকিরতল, লাঠিটিলায়ও বড় যুদ্ধ সংঘটিত হয়। ৬ ডিসেম্বর মুক্ত হয় কুলাউড়া।

সহযোগিতায়:

বাংলাদেশ সময়: ০৭৩০ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৬
এমএন/জেএম

বর্ণনা দিয়েছেন:
কুলাউড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সুশীল, বিএলএফ এর যোদ্ধা আতাউর, মুক্তিযোদ্ধা নজির, মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব আলী এবং মুক্তিযোদ্ধা আতা।

আবারো বিতর্কে জড়ালেন কঙ্গনা
সাত মরদেহের শেষকৃত্য সম্পন্ন, মামলা হয়নি
সুদের পাওনা টাকার জের ধরেই গৌরাঙ্গকে হত্যা করা হয়
ঈদের আগে জামিন মিললো ৪২ শিক্ষার্থীর
বাজপেয়ীর মৃত্যুতে ত্রিপুরায় মাসব্যাপী কর্মসূচি