Alexa

টেকেরঘাট সাব সেক্টর থেকে হাওরে মরণপণ যুদ্ধ

মাজেদুল নয়ন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ছবি ও ভিডিও-দীপু মালাকার

বাংলাদেশ সীমান্তে যেখানে পাহাড় এসে শেষ হয়েছে সেখানেই শুরু টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প। এক সময়ের ব্যস্ত খনি এখন শুধু কালের সাক্ষী। টেকেরঘাটের সঙ্গে তখন যে রেললাইন ছিল তা এখনো...

ঢাকা: বাংলাদেশ সীমান্তে যেখানে পাহাড় এসে শেষ হয়েছে সেখানেই শুরু টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প। এক সময়ের ব্যস্ত খনি এখন শুধু কালের সাক্ষী। টেকেরঘাটের সঙ্গে তখন যে রেললাইন ছিল তা এখনো পূর্ব দিক থেকে পশ্চিম দিকে বিস্তৃত। পাথর ভাঙ্গার মেশিনগুলো এখানে সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। 
মেঘালয়ের বড়ছড়া এলাকার ৪ নং পাহাড়ে ছিল মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেইনিং ক্যাম্প। ১৯৭১ সালে চারিদিকে যখন যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠে ভারতের লাগোয়া এই টেকেরঘাট হয়ে ওঠে ৫ নং সেক্টরের অধীনে একটি সাব সেক্টর। হাওরবেষ্টিত সুনামগঞ্জের অন্যান্য উপজেলার থেকে এই খনি এলাকাটি ছিল বিচ্ছিন্ন। ভারত সীমান্তের একদম কাছে হওয়ায় পাকিস্তানি বাহিনী এলাকাটি দখলে নেওয়ার চিন্তাও করেনি কখনো। তবে হাওর এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে তাহিরপুর উপজেলা দখলে নেয় হানাদারেরা। শনির হাওর ও দেখার হাওড়ের মাঝামাঝি তাহিরপুর। টেকেরঘাট সাব সেক্টর থেকে মুক্তিযোদ্ধারা গেরিলা আক্রমণ করে গুঁড়িয়ে দেন পাকিস্তানিদের আস্তানা।
মেঘালয় সীমান্তে বাংলাদেশের ভেতরেই ট্যাকেরঘাট চুনা পাথর খনি প্রকল্পে স্থাপণ হয় ট্যাকেরঘাট সাব সেক্টর।ভারতীয় ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিতে যেতে হতো নৌকা বেয়ে। আর টেকেরঘাট চুনাপাথর খনির ফ্যাক্টরিতে বসেছিল সাবসেক্টর কমান্ডো অফিস। টেকেরঘাট থেকে নৌপথে পরিচালিত হতো এই এলাকার সব সম্মুখ বা গেরিলাযুদ্ধ। এরকম প্রায় ২১টি যুদ্ধ পরিচালিত হয় এই এলাকায়, যার প্রতিটিতেই নৌপথে পাক সেনাদের ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় পাকিবাহিনীর আক্রমণের খবর ছড়িয়ে পড়ে হাওরাঞ্চলেও। সুনামগঞ্জের সর্ব উত্তরে দ্বীপ উপজেলা তাহিরপুরেও শুরু হয়ে যায় যুদ্ধের প্রস্তুতি। ২২ মে জেলা সুনামগঞ্জ শহরে প্রবেশ করে পাকসেনারা। তখনই বোঝা যাচ্ছিল, যে কোনো দিন তাহিরপুরেও আসতে পারে পাকসেনারা।
ট্যাকেরঘাট সাব সেক্টরে কমান্ডার কার্যালয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন শফিকুর রহমান। থানার ২ জন পুলিশ সদস্য ইমতিয়াজ সামাদ ও নূর মিয়া এবং ৩২ জন আনসারকে নিয়ে প্রতিরোধ বাহিনী গড়ে তোলেন তিনি।

তাহিরপুরে ঘাঁটি গাড়তে বেশ অপেক্ষা করতে হয়েছিল পাকিস্তানিদের। যুদ্ধ শুরুর ৬ মাসের মাথায় ৭ সেপ্টেম্বর দুটি গানবোটে প্রায় দুই শতাধিক হানাদার সৈন্য তাহিরপুরে এসে থানায় ঘাঁটি গাড়ে। থানার পাশেই শনির হাওড়ে ছিলো তাদের গানবোট।
সরকারি খাদ্য গুদাম এবং পাকিস্তানি বাহিনীর খাদ্য সরবরাহ লুট করে জমানো হতো এখানে।এদিকে ভারী অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারেননি শফিকুর রহমান এবং তার প্রতিরোধ বাহিনী।

অগত্যা তারা নৌকায় করে ভারত সীমান্তের কাছে টেকেরঘাটে চলে যান।

টেকেরঘাটে ততদিনে সাব সেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে সাব সেক্টর কমান্ডার ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। সেখানে আরো ছিলেন আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল জহির, কমিউনিস্ট পার্টির নেতা নজিবউদ্দিন আহমেদ। মেঘালয়ের বড়ছড়ার ৪ নং পাহাড়ের ওপরেই ছিল ট্রেইনিং ক্যাম্প ইকো ফোর।  সেখানেই ট্রেনিং নিতে চলে যান মুক্তিযোদ্ধারা।

ইকো ফোর ট্রেনিং ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নেয়া মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ছিলেন বর্তমানে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রফিকুল ইসলাম, আম্বর আলী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আব্দুল গণি এবং নূর মিয়াসহ আরো অনেকে।

টেকেরঘাট সাবসেক্টরের অধীনে ছিল ৪টি কোম্পানি। লেপার্ড কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন মুজাহিদ উদ্দিন, প্যান্থার কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন আলী আমজাদ, কোবরা কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন সুবেদার আব্দুল হাই এবং ডেলটা কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন কিশোরগঞ্জের মতিউর রহমান।
মেঘালয়ের বড়ছড়া থেকে যুদ্ধে যোগ দিতে আসতেন মিত্রবাহিনীর যোদ্ধারা।সুনামগঞ্জের তাহিরপুর,শাল্লা, দিরাই ও জামালগঞ্জ উপজেলা ছাড়াও হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জ,  বাহুবলও ছিল এই সাব-সেক্টরের অর্ন্তগত। এই সাবসেক্টরের কমান্ডার ছিলেন ক্যাপ্টেন মোসলেহউদ্দিন। আর প্রথম দিকে তত্ত্বাবধানে ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

সেপ্টেম্বরের দিকে ইকো ফোরে আর ৪ সপ্তাহের ট্রেনিং হতো না। যারা আগে থেকেই কিছুটা প্রশিক্ষিত ছিল তাদেরকে দেড় থেকে দুই সপ্তাহের প্রশিক্ষণ দিয়েই যুদ্ধের জন্যে প্রস্তুত করা হতো। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন ভারতীয় ক্যাপ্টেন পাণ্ডে ও লাল সিং। এই সাব সেক্টরকে বিভিন্ন সময় এসে বিভিন্ন সহযোগিতা দিতেন ভারতীয় মেজর বাট এবং ক্যাপ্টেন বর্মা।

টেকেরঘাট থেকে হিট অ্যান্ড রান পদ্ধতিতে আক্রমণ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করতেন মুক্তিযোদ্ধারা। গেরিলাদের অন্যতম লক্ষ্য ছিল শত্রুপক্ষের গোলাবারুদের মজুদ শেষ করে দেওয়া।

ফ্যাক্টরির সামনের দিকে সাদা দুটি ভবনে ছিল অস্থায়ী মেডিকেল ক্যাম্প। আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসা দিতে ডা. হারিস উদ্দিনের নেতৃত্বে মেডিকেল কলেজের কয়েকজন ছাত্র ও ভলান্টিয়ার যোগ দিয়েছিলেন। তার একটু উত্তরে ম্যানেজারের রুমটিতেই ছিল সাব সেক্টর কমান্ডার অফিস। অপারেশনে যাওয়ার আগে সাব সেক্টর কমান্ডার এবং কোম্পানি কমান্ডাররা এখানে পরিকল্পনা করতেন। এখানেই মিল-ভবনগুলোতে পাঁচ থেকে সাতশ মুক্তিযোদ্ধার থাকার স্থান করা হয়। আর লঙ্গরখানায় ছিল তাদের খাবারের আয়োজন। সারাদিনই সেখানে রান্না চলতো।
মেডিকেল ক্যাম্পে ডা. হারিছউদ্দিনের নেতৃত্বে মেডিকেল কলেজের ছাত্র ও ভলান্টিয়াররা চিকিৎসা সেবা দিতো। চুনাপাথর খনি প্রকল্পের দক্ষিণ পশ্চিমাংশে পালাই নদী। অপারেশনে যাওয়ার পথ ছিল এই নদী। মাঝি দাঁড় দিয়ে নৌকা বাইতেন আর মুক্তিযোদ্ধারা হাত দিয়ে। এতে গতি বেড়ে যেতো। এভাবেই কয়েক কিলোমিটার নৌপথ পাড়ি দিয়ে যেতে হতো টার্গেটে আঘাত হানতে।

নভেম্বরের প্রথম দিক। ভাটি এলাকা তাহিরপুরের চারিদিকে তখন থৈ-থৈ পানি। টেকেরঘাটে সকল কমান্ডিং অফিসার বসেন বৈঠকে। তাহিরপুর থানায় আক্রমণের ছক আঁটেন তারা। সন্ধ্যায় নৌকা ভাসান মুক্তিযোদ্ধারা। আর বিকেলেই হাওরে ভাসা দ্বীপ-গ্রাম বদরপুরে কাভারিং দল নিয়ে পৌছেঁ যায় মেঘালয়ের বড়ছড়া থেকে আসা ভারতীয় আর্টিলারি দল। এই অঞ্চলে মিত্রবাহিনী আলাদা নেতৃত্বে চলতেন এবং যুদ্ধের কৌশল ও দায়িত্ব ভাগ করে নেয়া হতো।
হাওড়ের যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন সিরাজুল ইসলাম।নদীতে দুটি নৌকার নেতৃত্ব দেন মুজাহিদ উদ্দিন। মার্টিয়ান হাওড়ের পাড়ে তাহিরপুরে এসে ভেড়ে নৌকা। সন্ধ্যার অন্ধকারে মিলিয়ে যান মুক্তিযোদ্ধারা। মর্টার শেলে ছুড়েই প্রথম আঘাতটি হানেন তারা। সে আঘাকে প্রকম্পিত হয়ে ওঠে তাহিরপুরের পাকিস্তানি ক্যাম্প। বাংকার থেকে প্রতিরোধ করে পাকিস্তানি সেনাদের অস্ত্রও। লক্ষ্যবস্তুতে কিছু গুলি ছুড়েই দ্রুত আবার নৌকায় উঠে যান মুক্তিযোদ্ধারা। পেছন থেকে গুলিবৃষ্টি করতে থাকে পাকবাহিনী। বদরপুর থেকে মিত্রবাহিনী মর্টার ও রকেট লঞ্চার থেকে শেল ছুড়তে থাকে তাহিরপুরে পাকিস্তানি লক্ষ্যবস্তুতে। ভারতীয় কাভারিং পার্টির সাহায্যে কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই ফেরত যায় মুক্তিবাহিনী।

পরের দিন ভোর রাতেই আবারো অভিযান চালায় মুক্তিযোদ্ধারা। এরপরও চারদিন চারটি অভিযান পরিচালিত হয় তাহিরপুরে।

ট্যাকেরঘাট থেকে ডিঙ্গি নৌকায় অভিযানে যেতেন মুক্তিযোদ্ধারা। এসব নৌকায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল মাঝিদের। এই মাঝিরাও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ছিলেন। অভিযান শেষে ফেরার সময় মাঝিকে নৌকা এমনভাবে চালাতে হতো যেন মুক্তিযোদ্ধারা গুলি করে করে যেতে পারেন এবং ভারসাম্য ঠিক থাকে। তবে একবার একটি অভিযান শেষ করে ফেরার সময় গুলি করে নৌকা ডুবিয়ে দেয় পাকিস্তানি সেনারা। শহীদ হন আজিমউদ্দিন, গফুর, মজিদ, কালাম, প্রফুল্লসহ মোট ৬ জন। হাওর অঞ্চলের এই যুদ্ধগুলোর প্রতিটিতেই পুরোভাগে ছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা। আর পেছন থেকে কাভারিং দিতো ভারতীয় বাহিনী।
তাহিরপুরে অবস্থানরত পাকিস্তানিদের গানবোট ছিল শনির হাওড়ে।তাহিরপুরের উল্লেখযোগ্য গেরিলাযুদ্ধের মধ্যে রয়েছে আন্দনগরের যুদ্ধ, নিশিনপুরের যুদ্ধ, বোলাই নদীর দুপাড়ের যুদ্ধ।

নভেম্বরের শেষ দিকে বোলাই নদীর দুই পাড়ে একই সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধ শুরু হয়। মিত্রবাহিনী এবং মুক্তিযোদ্ধাদের দ্বিমুখী আক্রমণে বিহ্বল হয়ে পড়ে পাকসেনারা। এদিন অন্তত ১০ জন পাকিস্তানি সেনা মারা যায়। হেলিকপ্টারে করে নিহত সেনাদের নিয়ে যায় পাকিস্তানি বাহিনী।

টেকেরঘাট সাব-কমান্ডে ব্যবহৃত হয়েছিল এলএমজি, এসএমজি, টু-ইঞ্চ মর্টার, রকেট লঞ্চার, থ্রি-নট-থ্রি। এছাড়াও ৩৬ হ্যান্ড গ্রেনেড এবং ব্রিজ ওড়ানোর বিস্ফোরকও ব্যবহৃত হতো।
হাওড়ে ঘেরা তাহিরপুর ও ট্যাকেরঘাটের যুদ্ধ বর্ণনা করেন মুক্তিযোদ্ধারা। তাহিরপুরের সূর্যেরগাঁও গ্রামে হয়েছিল একটি বড় অভিযান। যৌথ কমান্ডের মেজর বাট, মেজর মোসলেহ উদ্দিন, নাজিব হোসেন, সুরঞ্জিত সেনগুপ্তসহ নেতৃস্থানীয়রা পরিকল্পণা করেন। মুক্তিযোদ্ধারা ফ্রন্টলাইনে থেকে নৌকা ভাসান আর বিকেল থেকেই কুকরকান্দি গ্রামে বাংকার করে অবস্থান নেয় ভারতীয় বাহিনী। সেখান থেকেই টার্গেটে সেল ছোড়া সম্ভব হয়।

২টি নৌকায় ১৮ জন মুক্তিযোদ্ধা ২টি প্লাটুনে রওয়ানা করেন সূর্যেরগাঁওয়ের উদ্দেশ্যে। প্রথমে চিকসা গ্রামে নামেন মুক্তিযোদ্ধারা। কাভারিং পার্টির সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার জন্যে সঙ্গে নেয়া হয় ওয়ারলেস সেট। এদিন কাভারিং পার্টিতে ক্যাপ্টেন বর্মাও ছিলেন।

তাহিরপুর মুক্ত করতে নৌকায় করে আসা ৩ থেকে ৪শ মুক্তিযোদ্ধা হানা দেন। টানা ১২ দিন তাহিরপুরে হানাদারদের অবরোধ করে রাখা হয়। খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া হয়। দিশেহারা হয়ে পড়ে পাক সৈন্যরা। এই সুযোগেই মিত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনী যৌথ আক্রমণ চালায়। দুদিনের মরণপণ যুদ্ধের পর মুক্ত হয় তাহিরপুর। আত্মসমর্পণ করে অনেক পাক সৈন্য, অনেকেই গানবোটে করে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তাহিরপুর মুক্ত হওয়ার পরও দুদিন পাহারায় ছিলো ভারতীয় বাহিনী। কারণ ভয় ছিল আবারো পাকিস্তানি বাহিনী ফিরে এসে হামলা চালাতে পারে। তবে সে সাহস তারা আর করেনি।

যারা বর্ণনা দিয়েছেন: 
কোম্পানি কমান্ডার মুজাহিদ উদ্দিন, তাহিরপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার রফিকুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল গণি, জর্জ মিয়া, হাবিবুর রহমান, আবদুল গফুর, জালালউদ্দিন ও সিদ্দিক আলম।

সহযোগিতায়:

আরও পড়ুন:

** শিলংয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং ক্যাম্পের গল্প

** ডাউকি থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বারংবার হামলা
**জকিগঞ্জ মুক্ত করতে জীবন দিলেন চমনলাল
** শমসেরনগরে জনতার প্রতিরোধ, কালিপুরে ক্যাম্প

** হরিদাসের বাড়ি হয়ে মাইল্লাম, ‘ভারত কত দূর?’

বাংলাদেশ সময়: ০৭৫২ ঘণ্টা, ডিসেম্বর ১৫, ২০১৬
এমএন/জেএম

পাটুরিয়া ফেরিঘাটে যানবাহনের দীর্ঘলাইন
কারাগারে ঈদ উৎসবে মেতে থাকবে ১০ হাজার বন্দী
ঈদের ছুটিতে বেড়িয়ে আসুন করমজল
কনার ঈদ গানের ডানায়
পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌ-রুটে লঞ্চ চলাচল শুরু