Alexa

দুই কারণে গর্বিত রোডস

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট | বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

স্টিভ রোডস। ছবি: শোয়েব মিথুন/বাংলানিউজ

ঢাকা:  একটি নয়, দুটি কারণে নিজেকে নিয়ে গর্ব বোধ করছেন  ইংলিশ ক্রিকেটার স্টিভ রোডস। প্রথমটি, বাংলাদেশ ক্রি‌কেটের সাথে যুক্ত হতে পেরে। আর দ্বিতীয়টি, লাল-সবুজের প্রো‌টিয়া পরামর্শক গ্যারি কারস্টেনের তালিকায় থাকতে পেরে।

বিসিবিকে গ্যারি কোচদের যে তালিকাটি দিয়েছিলেন সেখানে রোডসের নামটি ছিল। পাশাপাশি বিসিবির করা তালিকায় তো ছিলেনই। ফলে দুই পক্ষের পছন্দে তার নামটি ছিল বিসিবি বাছাইকৃত  তিনজনের সংক্ষিপ্ত তালিকায় শীর্ষে। যা তাকে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক কোচ হতে সাহায্য করেছে।

আর এর শুরুটা হচ্ছে বাংলাদেশের মতো উঠতি এক পরাশক্তিকে দিয়ে। কাজেই গর্বিত না হয়ে তার আর উপায় কী?

বৃহস্পতিবার (০৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর বেক্সিমকো কার্যালয়ে সংবাদ মাধ্যমকে দেয়া এক প্র‌তি‌ক্রিয়ায় তিনি একথা বলেন।

রোডস বলেন, 'আমি সবার উদ্দেশে বলতে চাই, বাংলাদেশের মতো দারুণ এক ক্রি‌কেট খেলুড়ে দেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশ যে সমর্থন পেয়ে আসছে সেটা অসাধারণ। এমন বড় পদে নিয়োগ দিয়ে  বিসিবি আমাকে সম্মানিত করেছে। '

'আমি গ্যারি কারস্টেনের মতো সম্মানিত এক ক্রি‌কেটারের তালিকায় থাকতে পেরেও গর্ব বোধ করছি।  এটা ভেবেও ভাল লাগছে যে  বাংলাদেশের হেড কোচের পদের প্রতি আগ্রহ দেখিয়ে আমাকে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি।' যোগ করেন রোডস।

সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের ২০  তারিখ থেকে টাইগারদের সাথে কাজ  শুরু করবেন     ২০২০  সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পর্যন্ত নিয়োগ পাওয়া  সাবেক  এই ইংলিশ ব্যাটসম্যান।  

আন্তর্জাতিক কোচিংয়ে ক্যারিয়ারে অনভিজ্ঞ স্টিভ রোডস ক্যারিয়ারের লম্বা সময় পার করেছেন ইংলিশ কাউন্টি ক্লব  উস্টারশায়ারে। খেলেছেন ইয়র্কশায়ারের হয়েও। 

ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটে ১২টি সেঞ্চুরি করা রোডস  খেলা ছাড়ার পর  উস্টারশায়ারেই কোচ হিসেবে যোগ দেওয়া রোডস পরে হন ডিরেক্টর অব ক্রিকেটও। 

২০০৬ থেকে ২০১৭- পর্যন্ত  এই পদে থাকার পর এক অপ্রীতিকর ঘটনার জের ধরে তাকে বরখাস্ত করে উইস্টারশায়ার কর্তপক্ষ।

বাংলাদেশ সময়: ১৯৪৫ ঘন্টা, জুন ০৭, ২০১৮

এইচএল/এমকেএম

মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানোর কার্যক্রম স্থগিত
দিনাজপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
সুইজদের কাছে সার্বিয়ার হোঁচট
বদরগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহত ১ 
দুরপাল্লার শটে সমতা আনলেন শাহাকা